Select Page

স্ট্রোক এ মৃত্যুর হার কম উন্নত দেশে। উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোতে এই হার অত্যন্ত বেশি।

স্ট্রোকে মৃত্যু সারা বিশ্বে দক্ষিণ এশিয়ায় স্ট্রোকে মৃত্যু

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে স্ট্রোকে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে ২০০০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রাণঘাতী রোগ স্ট্রোকে মৃত্যুর হার। এই চার্ট থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রানঘাতী রোগ হিসাবে স্ট্রোকে মৃত্যু দিন দিন বাড়ছে। এখনই সময় সচেতন হওয়ার।২০১৯ এ শীর্ষ তিন প্রাণঘাতী রোগ বাংলাদেশে” এই পরিসংখ্যান থেকে আমরা জানতে পারলাম যে আমাদের দেশে ২০০০ সালের পর থেকেই স্ট্রোক ও হার্ট ব্লক আশংকাজনক হারে বেড়েই চলেছে।

আমরা এখনও সচেতন হচ্ছি না। আমাদের প্রতিবেশী সার্কভুক্ত দেশ গুলোতেও কিন্তু এই মৃত্যু হার অনেক কম।

প্রাণঘাতী রোগ স্ট্রোক থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে আমাদের জীবন ব্যবস্থা, পাল্টাতে হবে খাদ্যাভাস।

গুগল করে সহজেই জেনে নিতে পারবেনঃ

  • সার্কভুক্ত দেশগুলো খাবার প্রসেস করে কিভাবে?
  • কি খাবার খায়?
  • খাবারে তেল কি কি ব্যবহার করে?
  • তাদের জীবন অভ্যাস গুলো ইত্যাদি।

আমাদের দেশে খাদ্যে ভেজাল দেয়া হয় সবচেয়ে বেশি। আবার চটকদার বিজ্ঞাপনে ক্ষতিকর কোন খাবারও জনপ্রিয় করা যায় সহজেই।

এখানে উল্লেখযোগ্য সয়াবীন তেল।  এই তেলের  কারণেই আমাদের আজ এই দূর্দশা।

২০০০ সালের দিক থেকেই ব্যাপক প্রচারের কারণে আমরা ধীরে ধীরে সরিষা, বাদাম ও অন্যান্য দেশেই উৎপাদন হয় এমন প্রাকৃতিক তেল থেকে মুখ ফিরায়ে নিলাম। প্রাকৃতিক উপায়ে তেল করা হত যে কাঠের কলুর ঘানিতে তাও আর নাই বললেই চলে। আমরা পুরোপুরি রিফাইন্ড তেলে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। ফলাফল আজ অনেক অল্প বয়স্কদেরও হার্টের অনাকাংখীত অসুখে ভুগতে হচ্ছে। নিঃস্ব হচ্ছে কতশত পরিবার।

আমাদের প্রতিবেশী দেশ গুলোতে আবার শুরু হয়েছে ঘানিতে তেল করার। যাকে বলা হয় ইংরেজিতে কোল্ড প্রেস বা প্রথম চাপের তেল। এই কোল্ডপ্রেসের তেলের উপকারিতা জানতে ক্লিক করুন।

কোল্ড প্রেস তেল

কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের একটা মেসেজ পাঠান। আমরা দ্রুতম সময়ে আপনার সাথে যোগাযোগ করব। সচেতন হন, সুস্থ থাকুন।

তথ্যসূত্রঃ World Health Organization