Select Page

পেট ভরে খেয়েই ডায়েট

ভাবছেন এইটা কিভাবে সম্ভব?

জীবন আমাদের একটাই এবং সময়টাও বড় অল্প। এই অল্প সময়টাতে যদি নিজের আত্মাকেই বঞ্চিত করে কষ্টে দিনাতিপাত করি ,তবে বড়ই জুলুম করা হবে নিজের উপর।

ফলাফলঃ মেজাজ খিটখিটে, অসুখী মনে হওয়া ইতাদি।

এর চেয়ে আসুন না একটু অন্য রকম ভাবে বাঁচার চেষ্টা করি।

প্রথমেই স্লোগান দিন খাব দাব ডায়েটও করব, মজাও লুটে নিব। দেখবেন মাথার উপর থেকে একটা বোঝা নেমে গেল।

এরপর যা করতে হবেঃ

  • খাবার শুরুতেই রাজ্যের ক্ষুধা নিয়ে খেতে বসবেন না। সামান্য পানি খেয়ে প্লেট এগিয়ে নেন।
  • প্লেটে আগে তরকারি নিয়ে এরপর ভাত নিবেন। চোখের আন্দাজে না নিয়ে বা ঠেসে না খেয়ে সামান্য পেট ফাঁকা রেখেই তা পানি দিয়ে পূরণ করুন।
  • বেশির ভাগ সময় মসুর ডাল রাখুন মেন্যুতে কারণ ডাল খাবার তীব্র ইচ্ছাকে প্রশমিত করে।
  • সালাত, শাক-সবজী বেশি পরিমাণে পাতে নিন। এগুলো আপনার খরচও কমাবে।
  • মাছ খাওয়ার চেষ্টা করুন। মাংস খাওয়ার ইচ্ছে হলে চর্বিটা ফেলে দিয়ে এমন অল্প পরিমানে খান যাতে আপনার আত্মা বিদ্রোহ না করতে পারে।
  • চকলেট, আইসক্রীম, হালকা/ ভারী পানীয় খেতে পারেন কিন্তু পরদিন হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম একটু বেশিই করতে হবে।
  • দাওয়াতে গিয়ে বেশি খাওয়ার মধ্যে কোন ফায়দা নাই। বরঞ্চ কম খেলে আপনি নিজেও হালকা বোধ করবেন। পরবর্তীতে দাওয়াত পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
  • দই খাওয়া যাবে কিন্তু মিষ্টি বা ফাস্টফুড এড়িয়ে চললে পরদিন বেশি পরিশ্রম না করলেও চলবে।
  • সকাল বা বিকেলে প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে হাঁটাহাটি করতে হবে তাতে নিজেদের মধ্যে বন্ধনটা আরও দৃঢ় হবে। যা খাবেন ততটা জোরে এবং বেশি সময় নিতে হবে। অর্থাৎ যদি চর্বিযুক্ত মাংস, আইসক্রীম, চকলেট, পানীয়, মিষ্টি এসব খান তবে যত বেশি খাবেন তত পরিশ্রম করতে হবে।
  • সব খাবারই একটা নিদ্দিষ্ট কাছাকাছি সময়ে খেতে হবে। কোনদিন খেলেন দুপুর ১ টার দিকে আবার কোন দিন ৪ টার দিকে – এমন করা যাবে না।
  • সবুজ চা কোলস্টেরল কমায়, তাই দিনে দুই বা তিন কাপ খেতে পারেন। পানি যতটা সম্ভব বেশি করে খেতে হবে।
  • লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন, অল্প দূরত্বে হেঁটেই যান, বাইসাইকেল বাহন হোক, ঘরের কাজ নিজেই করার চেষ্টা করুন।
  • রাতের ১০-১১ টার মধ্যেই বিছানায় যেতে হবে। ঘুমাতে হবে টানা ৬-৮ ঘন্টা। সকালের সূর্যোদয় দেখা সারাদিন মন প্রফুল্ল থাকা এবং ওজন কমার অন্যতম শর্ত।
  • সব সময় মোটা মানুষদের সাথে চলাচল করার চেষ্টা করতে হবে। তাতে নিজেকে হালকা মনে হবে। তাদের অসুবিধা গুলো প্রত্যক্ষ করে আরও বেশি তাগিদ অনুভব করবেন। পাশাপাশি আপনাকে দেখে অন্যরাও উৎসাহিত হতে পারে।
  • যে কোন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। অযথা আয়নার সামনে নিজেকে খুঁটিয়ে দেখা কমায়ে দিন।
  • আপনি যেমন আছেন তেমনি সন্তুষ্ট হন। দেখবেন সবাই আপনার মতই মানিয়ে নিয়েছে।

এভাবেই পেট ভরে খেয়েই ডায়েট করা যায়।

যদি আমাদের ভাবনা গুলো আপনার ভাল লাগে তাহলে কিছুদিন দেখুন না চেষ্টা করে। এই লেখাগুলো শেয়ার করে আপনার কাছের মানুষ গুলোকেও ভাল রাখতে সহায়তা করুন।

আপনার মতামত জানতে বড্ড ইচ্ছে করছে। নিচের ঘরে লিখবেন নাকি দু লাইন?

কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের আপন মনে করে মেসেজ দেন